প্রধানমন্ত্রী হাউজিং স্কিম 2021, বাড়ি পাবে কোটি পরিবার

২০২১ সালের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর আবাস যোজনা (নগরী) এর আওতায় যোগ্য সুবিধাভোগীরা ১.১২ কোটি বাড়ি পাবেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেছিলেন যে, এ পর্যন্ত এই প্রকল্পের আওতায় 90 লক্ষ বাড়ি অনুমোদিত হয়েছে এবং আগামী ছয় মাসে এই সংখ্যা 1.12 কোটিতে পৌঁছে যাবে। প্রকল্পটি পুরোপুরি গৃহায়ন ও নগর বিষয়ক মন্ত্রণালয় দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।

এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন যে, ২০২২ সালের মধ্যে সবার জন্য বাড়ির লক্ষ্য সময়মতো শেষ হবে। তিনি বলেন, এই লক্ষ্য অর্জনে দ্রুতগতিতে কাজ চলছে। তিনি বলেছিলেন যে ২০২০ সালের মার্চের মধ্যে সমস্ত ১.১২ কোটি ঘর তৈরি হয়ে যাবে এবং ৭৫ লক্ষ বাড়ির ভিত্তি স্থাপন করা হবে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দাবি করেন যে এই সময়ের মধ্যে ৫০ লক্ষ বাড়িঘর নির্মিত হবে। এবং ৪০ থেকে ৪৫ লক্ষ পরিবার পরের ৫ থেকে ৬ মাসে বাড়ি পাবেন।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরও বলেন আমরা আত্মবিশ্বাসী যে ২০২১ সালের প্রথম দিকে সকল যোগ্য সুবিধাভোগী এই প্রকল্পের আওতায় একটি করে বাড়ি পাবে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনাটি সম্পন্ন করার সাথে জড়িত আবাসন ও নগর বিষয়ক মন্ত্রক বলেছেন, কিছুদিন আগে ৫৩.৪০ লক্ষ বাড়ির ভিত্তি স্থাপন করা হয়েছে। ২৭.১৭ লক্ষ বাড়ির কাজ শেষ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর আবাস যোজনা (নগরী) এর সুবিধা চার ধাপের সম্পন্ন হবে। এর মধ্যে রয়েছে ক্রেডিট লিংকডআইডি স্কিম, ইন-সেতু ক্লাম রি-ডেভলপমেন্ট, সাশ্রয়ী মূল্যের আবাসন অংশীদারিত্ব এবং বেনিফিসিয়াল লিড কনস্ট্রাকশন।

বেনিফিশিয়ারি লিড কনস্ট্রাকশন এর আওতায় মন্ত্রক সুবিধাজনকভাবে বাড়ি তৈরির জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করে।

একই সাথে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, ক্রেডিট লিংকডআইডিআইয়ের আওতায় কেন্দ্রীয় সরকার এ পর্যন্ত 18,458 কোটি টাকা খরচ করেছে। এতে উপকৃত হয়েছে ৭.১৮ লক্ষ পরিবার। ১৮,৪৫৮ কোটি টাকার মধ্যে ইডাব্লুএস এবং এলআইজি বিভাগের সুবিধাভোগীদের জন্য ১৩,০৫৬ কোটি টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে। মধ্যম আয়ের গোষ্ঠী (মিজি) বিভাগের সুবিধাভোগীদের জন্য ৫৪০১ কোটি রুপি দেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় নতুন প্রযুক্তি দিয়ে প্রায় ১৩.৯৪ লক্ষ বাড়ি নির্মিত হচ্ছে।

এই প্রকল্পের আওতায় কেন্দ্রীয় সরকার ৭৯,৭১৬ কোটি টাকা অনুমোদন করেছে। তার মধ্যে ৫৭,৮৭০ কোটির ব্যয় প্রকাশ করা হয়েছে।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*