মহাতীর্থ ৫১ সতীপীঠ, ছড়িয়ে ছিটিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে (পর্ব- ৫)

শক্তিপীঠ বা সতীপীঠ নিয়ে লিখিত প্রতিবেদনের পঞ্চম পরবে এসে হাজির আমরা। শিবহীন যজ্ঞ করে ত্রিভুবনে মহাদেব শিবের গুরুত্বকে ভুলণ্ঠিত করতে চেয়েছিল দক্ষ রাজা। কিন্তু তার কন্যা অর্থাৎ শিবের পত্নী সতী তা মানতে পারেননি। তিনি যজ্ঞে উপস্থিত হন। সেখানে দক্ষ রাজা শিবকে চূড়ান্তভাবে কটূক্তি করে। স্বামী নিন্দা শুনে সহ্য করতে না পেরে আগুনে আত্মাহুতি দেন সতী। সতীর মৃত্যুর খবর পেয়ে ছুটে আসেন শিব। ধ্বংস করেন দক্ষযজ্ঞ। স্ত্রীর মৃতদেহ কাঁধে নিয়ে তান্ডব নৃত্য করতে থাকেন। সারা বিশ্বে ত্রাহি ত্রাহি রব ওঠে। তখন ভগবান বিষ্ণু তার সুদর্শন চক্র দিয়ে সতীর দেহ কে 51 টি খন্ডে ছিন্ন করেন। সেই খণ্ডগুলো জেরে স্থানে পড়েছিল সেখানে একেকটি সতীপীঠ শক্তিপীঠ গড়ে ওঠে। এই গুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থান। প্রথম থেকে চতুর্থ পর্বে আমরা 51 সতী পীঠের কয়েকটি সম্পর্কে জেনেছি। আজ পঞ্চম পর্বে থাকছে আরও কয়েকটি সতী পীঠের ছবি ও বর্ণনা।

২৩. হিংলাজ
পাকিস্তানের বালুচিস্তানের মারকান নামক মরুভূমিতে অবস্থিত। এখানে সতীর মস্তিষ্ক পতিত হয়েছিল হিংলাজে। এখানে দেবীর নামও হিংলাজ। একটি গুহার মধ্যে আছে মন্দিরটি।


২৪. যশোরেশ্বরী
বাংলাদেশের খুলনার ঈশ্বরীপুরে এই মন্দির অবস্থিত। এখানে দেবীর হাতের তালুদ্বয় ও দুই পদতল পতিত হয়।দেবীর নাম এখানে যশোরেশ্বরী। ভৈরব চন্ড।


২৫. জয়ন্তী
ভারতের মেঘালয় প্রদেশের জয়ন্তী পাহাড়ে দেবীর বাম জঙ্ঘা পতিত হয়, কারো মতে পৃষ্ঠদেশ। দেবীর নাম জয়ন্তী। ভৈরব ক্রমদিশ্বর নামে পরিচিত।


২৬.মঙ্গলকোট
বর্ধমানের গুসকরা স্টেশনের থেকে ১৬ কিমি দূরত্বে এই তীর্থস্থান। এখানে দেবীর ডান হাতের কবজি পতিত হয়। দেবী মঙ্গলচন্ডিকা। ভৈরবের নাম কপিলাম্বর।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*